নিহতদের মধ্যে চারজনই জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দলের সদস্য ছিলেন। তারা পানির প্রায় ৫০ মিটার গভীরে একটি গুহা দেখার চেষ্টা করছিলেন। নিহতদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তুসংস্থান বিভাগের অধ্যাপক মনিকা মন্তেফালকানি, তার মেয়ে এবং দুজন গবেষক রয়েছেন।
মালদ্বীপের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পানির ৬০ মিটার গভীরে একটি গুহার ভেতর একজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। বাকি চারজনও সেখানে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে বিশেষ সরঞ্জামসহ একটি দল পাঠানো হলেও অভিযানটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে এই পাঁচজন ডাইভিংয়ের জন্য সাগরে নামেন। দীর্ঘ সময় পরও তারা ভেসে না ওঠায় ডাইভিং বোটের কর্মীরা পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, সে সময় ওই এলাকার আবহাওয়া বেশ প্রতিকূল ছিল এবং নৌযান চলাচলের ওপর সতর্কতা জারি ছিল।
জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তারা হলেন—অধ্যাপক মনিকা মন্তেফালকানি, তার মেয়ে ও ছাত্রী জর্জিয়া সোমাকাল, গবেষক মুরিয়েল ওদেনিনো এবং মেরিন বায়োলজির স্নাতক ফেদেরিকো গুয়ালতিয়েরি। পঞ্চম নিহতের নাম জিয়ানলুকা বেনেদেত্তি, যিনি একজন ডাইভিং ইনস্ট্রাক্টর ছিলেন। এক শোকবার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
প্রবাল দ্বীপের দেশ মালদ্বীপে পর্যটকদের কাছে ডাইভিং ও স্নরকেলিং অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে বেশ কিছু মারাত্মক দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। গত বছরও সেখানে একজন ব্রিটিশ ডাইভার ও ২০২৪ সালে এক জাপানি সংসদ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল।





