স্প্যানিশ কর্মকর্তারা জানান, যেসব যাত্রীর শরীরে ভাইরাসের লক্ষণ নেই, তাদের সামরিক বিমানে করে মাদ্রিদে নেয়া হচ্ছে। সেখানে বিশেষ হাসপাতালে তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রেখে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো সংস্পর্শ হতে দেয়া হবে না।
গত বুধবার কেপভার্দে উপকূল থেকে জাহাজটি স্পেনের অভিমুখে রওনা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুরোধে স্পেন এই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে।
জাহাজটিতে হান্টভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে এক ডাচ দম্পতি ও একজন জার্মান নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া আরও পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।
প্রমোদতরিটিতে থাকা সব যাত্রীকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ডব্লিউএইচও আজ থেকে ৪২ দিনের কোয়ারেন্টিন পালনের সুপারিশ করেছে।
সাধারণত ইঁদুরের মাধ্যমে হান্টভাইরাস ছড়ালেও বিরল ক্ষেত্রে এটি মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হতে পারে। তবে জাহাজটিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালিয়ে কোনো ইঁদুরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্পেন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বিশেষ বিমান পাঠিয়েছে। সব যাত্রী নেমে যাওয়ার পর ৩০ জন ক্রুসহ জাহাজটি নেদারল্যান্ডসে যাবে এবং সেখানে সেটিকে জীবাণুমুক্ত করা হবে।





