নিহতরা হলেন— পটিয়া উপজেলার বদিউল আলমের স্ত্রী রেহেনা আক্তার, ঝিনাইদহের সদর থানার গোপালপুর উপজেলার চান আলীর পুত্র নাইমুল ইসলাম জিহান ও একই এলাকার আনোয়ার হোসনের পুত্র নাঈমুল ইসলাম এবং ভোলা জেলার মনির আহমদ।
প্রত্যক্ষদর্শী, এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়— বাস দুটির একটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে, অন্যটি কক্সবাজার থেকে যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাচ্ছিলো। লোহাগাড়ার চুনতি এলাকায় আসলে বাস দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পূর্ব পাশের একটি গাছে ধাক্কা দেয় এবং অন্য বাসটি মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা একটি দোকানে ঢুকে যায়। এসময় মালামালের ক্ষতি হলেও দোকানের ভেতরে থাকা কেউ হতাহত হননি।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দীন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’
বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কে মারছা পরিবহনের সব গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা।




