বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্রুততম গোলগুলোর পেছনের নায়ক যারা

বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের গোলপোস্টের পেছন থেকে তোলা ছবি
বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের গোলপোস্টের পেছন থেকে তোলা ছবি | ছবি: সংগৃহীত
0

ফিফা বিশ্বকাপে নানাভাবে রেকর্ডবুকে জায়গা করে নেন ফুটবলাররা। গোলের খেলা ফুটবলে যারা অধিক গোল করেন, তাদেরকেই বেশি মনে রাখেন ভক্ত-সমর্থকরা। আবার মধ্যমাঠ বা রক্ষণে জাদু দেখিয়ে অথবা গোলপোস্টের নীচে অতন্দ্রপ্রহরী হয়েও আলাদাভাবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন অনেক ফুটবলার। তবে ম্যাচ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে গোল দেয়ার কৃতিত্ব খুব কম ফুটবলারেরই আছে। বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করা সেই ফুটবলারদের কথা স্মরণ করা যাক আরও একবার!

গোলের খেলা ফুটবল। দুই দলের লড়াইয়ে জয় পরাজয় নির্ধারিত হয় গোল থেকেই। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ বিশ্বকাপে গোল করে নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান ফুটবলাররা।

বিশ্বকাপের প্রতি আসরেই অনেক গোল হয়ে থাকে। এর মাঝেও কিছু গোল আলাদাভাবে নজর কাড়ে সবার। শুধু নজরকাড়া গোলই নয়, কম সময়ে গোল করেও অনেকে আলাদাভাবে লিখিয়েছেন নিজেদের নাম।

এখন পর্যন্ত ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মোট ২২টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোল হয়েছে ২ হাজার ৭০০’রও বেশি। এর মাঝে মাত্র ১৩টি গোল হয়েছে খেলা শুরুর প্রথম মিনিটের মাথায়। প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মাঝে হয়েছে পাঁচটি গোল।

আরও পড়ুন:

ঠিক ৩০ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে এ তালিকার পাঁচে ক্লিন্ট ডেম্পসে। ২০১৪ বিশ্বকাপে নাটালে ঘানার বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের এ ফুটবলার। এ ঘটনার ৩২ বছর আগে স্পেনের সান মেমেসে ২৮ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন ইংল্যান্ডের ব্রায়ান রবসন। দু’টি ম্যাচেই জয় পেয়েছিলো তাদের দল।

ইতালিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপে মাত্র ২৫ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন জার্মানির আর্নেস্ট লেহনার। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এটাই ছিলো বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল। ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে মাত্র ১৫ সেকেন্ডে স্কোরশিটে নাম তুলে এই রেকর্ড নিজের করে নেন চেকস্লোভাকিয়ার ভ্যাক্লাভ মাসেক। অবশ্য ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছিলো মেক্সিকো।

সবাইকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন তুরস্কের হাকান সুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে স্বাগতিক কোরিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নিজের দিকে সব আলো টেনে নেন তিনি। মাত্র ১১ সেকেন্ডের মাথায় বল জালে জড়ান এ ফরোয়ার্ড, যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেননি।

আর কিছুদিন পরই শুরু হবে বিশ্বকাপের আরেকটি আসর। সেই আসরে অন্যান্য অনেক রেকর্ডের সাথে সুকুরকে কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেন কি না, সেটিও দেখার অপেক্ষায় থাকবেন ফুটবল ভক্তরা।

এসএইচ