২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর তথ্যপদ্ধতি উন্নতকরণ শীর্ষক প্রকল্পের অংশ হিসেবে, ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলায় ৫৪টির মধ্যে ৫০টি ইউনিয়নে এ প্রকল্প চলমান ছিলো।
এ থেকে কৃষকদের নিয়মিত কৃষি আবহাওয়া পরামর্শসেবা পাওয়ার কথা থাকলেও তা পাচ্ছেন না কৃষকরা। তথ্য বোর্ডে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, আর্দ্রতার হার ও ঝড়ের পূর্বাভাসসহ ১০টি তথ্য ছক রয়েছে। যা থেকে তিন দিন আগের ও তিন দিন পরের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানতে পারবেন কৃষকরা। কিন্তু এসব বোর্ড স্থাপনের পর থেকেই নেই কোনো কার্যক্রম।
স্থানীয় একজন কৃষক বলেন, ‘আমরা এ সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না। আর এর দ্বারা তেমন কোনো উপকারই হচ্ছে না।’
আরও পড়ুন:
কৃষকরা বলছেন, স্থাপনের পর থেকেই এ আবহাওয়া তথ্য বোর্ডের চাকা ঘোরেনি একদিনও। প্রতিবছর ফসলের ক্ষতি হলেও এ বোর্ড কোনো কাজে আসছে না। এতে একদিকে কৃষক প্রকল্পের সুফল পাচ্ছেন না, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে সরকারের অর্থ। স্থাপিত বোর্ডগুলো সংস্কার করে দ্রুত তথ্য হালনাগাদ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
জগন্নাপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন কার্যক্রমের সময়ও বলে থাকি আর এখানের ডিসপ্লেতেও তুলে ধরা হয়।’
এদিকে প্রায় সময় কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য দেয়া হচ্ছে বলে জানান ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কৃষকরা তথ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রকল্পটি পুনরায় চালু হলে কৃষকরা আগাম তথ্য পাবে। এতে কৃষকরা উপকৃত হবে।’
এদিকে জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, ২০২৪ সালেই প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার কারণে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এরইমধ্যে নষ্ট যন্ত্রগুলো মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।





