তিনি জানান, বৃষ্টির পরিবারের পক্ষ থেকে তার মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় আইনি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার হওয়া ব্রিজের ঠিক দক্ষিণ থেকেই বৃষ্টির পোশাকের সাথে মিল থাকা একটি মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। আজ ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশ নিশ্চিত করল যে এটি নাহিদা বৃষ্টিরই মরদেহ।
আরও পড়ুন:
এদিকে, গত ২৪ এপ্রিল উদ্ধার হওয়া জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ ফ্লোরিডার একটি ফিউনারেল হোমের তত্ত্বাবধান শেষে শনিবার (২ মে) রাত ৮টা ৫০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি শেষে আগামী ৪ মে (সোমবার) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহটি অবতরণ করার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে লিমনের মরদেহ পরিবহনের যাবতীয় খরচ বহন করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল থেকে এই দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে লিমনের রুমমেট হিশাম আবু ঘারবিয়েহকে (২৬) এই জোড়া খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃষ্টির মরদেহও আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত হওয়ায় দুই শিক্ষার্থীর পরিবার ও সহপাঠীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজনরা ঘাতক হিশামের দৃষ্টান্তমূলক বিচার এবং বৃষ্টির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।





