গতকাল (সোমবার, ২৮ এপ্রিল) ৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখতেই রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাণী ক্যামিলাকে বরণ করে নেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এসময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তাদের ক্ষুদে সদস্যদের হাত থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন রাজ দম্পতি।
এরপর, হোয়াইট হাউস যান রাজা-রাণী। সেখানে তাদেরকে আরেক দফা বরণ করে নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। উষ্ণ অভ্যর্থনা শেষে হোয়াইট হাউজে একটি চা চক্রে যোগ দেন রাজা চার্লস ও রাণী ক্যামিলা।
এছাড়াও, প্রথম দিনে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে একটি গার্ডেন পার্টিতে যোগ দেন রাজ দম্পতি। সেখানে যুক্তরাজ্য ছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়নু
দ্বিতীয় দিনের সফরে মঙ্গলবার কংগ্রেসে ভাষণ দেবেন রাজা তৃতীয় চার্লস। ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংন- লন্ডন কূটনৈতিক সম্পর্ক টানাপোড়েনের মাঝে তার বক্তব্য যোগ করছে নতুন মাত্রা।
এরই মধ্যে বিশ্লেষকদের অভিমত, দুই দেশের মধ্যে চলমান মতবিরোধ ভুলে কীভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা যায় তা নিয়ে কথা বলবেন রাজা চার্লস। এছাড়াও ন্যাটো ও ইউক্রেনের পক্ষেও কথা বলবেন তিনি। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর বেশ কয়েকবার ন্যাটো জোটের সমালোচনা করেন তিনি।
তাই কংগ্রেসে দেয়া বক্তব্যে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে জোটভুক্ত দেশগুলোর শান্তি-স্থিতিশীলতা রক্ষায় ন্যাটোর গুরুত্বের কথা তুলে ধরবেন ব্রিটিশ রাজা। ১৯৯১ সালে দ্বিতীয় রাণী এলিজাবেথের পর দ্বিতীয় ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে কংগ্রেসে বক্তব্য দেবেন রাজা চার্লস।
তবে রোববার (২৭ এপ্রিল) ট্রাম্পের নৈশভোজে হামলার ঘটনার পর বাড়তি নিরাপত্তার চাদরে ওয়াশিংটন। নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। সফরে ট্রাম্পের আমন্ত্রণে একটি নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রেসিডেন্ট।





