অন্যদিকে, বর্তমান সিইও টিম কুক অ্যাপলের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হিসেবে নতুন ভূমিকা পালন করবেন। এ পালাবদলের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম সফল সিইও হিসেবে টিম কুকের ১৫ বছরের দীর্ঘ ও বর্ণিল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিম কুক বলেন, ‘অ্যাপলের সিইও হিসেবে কাজ করা এবং এমন একটি অসাধারণ কোম্পানিকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান। আমি এ প্রতিষ্ঠানকে মনেপ্রাণে ভালোবাসি। আমি এমন এক মেধাবী ও সৃজনশীল দলের সঙ্গে কাজ করতে পেরে কৃতজ্ঞ, যারা আমাদের গ্রাহকদের জীবনকে সমৃদ্ধ করতে এবং বিশ্বের সেরা পণ্য ও পরিষেবা তৈরিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।’
নতুন সিইও জন টার্নাস বলেন, ‘অ্যাপলের এ মহৎ লক্ষ্যকে এগিয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়ে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
টার্নাস বয়সে কুকের চেয়ে প্রায় ১৫ বছরের ছোট। ২০০১ সাল থেকে তিনি অ্যাপলের ডিজাইন টিমে কর্মরত আছেন। আইফোন এবং এয়ারপডসের মতো পণ্যগুলোর নেপথ্যে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে অ্যাপল।
কুকের ১৫ বছরের শাসনামলে অ্যাপলের সাফল্যের খতিয়ান এক কথায় অবিশ্বাস্য। অ্যাপলের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১ হাজার ৭০০ শতাংশের বেশি। বর্তমানে অ্যাপলের বাজার মূল্য ৪ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা এনভিডিয়া এবং অ্যালফাবেটের (গুগল) পর বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ।
স্টিভ জবসের উত্তরসূরি হিসেবে ২০১১ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর কুক কেবল আইফোন বা ম্যাকের মতো মূল ব্যবসাই ধরে রাখেননি, বরং ক্লাউড স্টোরেজ ও স্ট্রিমিং সার্ভিসের মতো সেবা খাতেও কোম্পানিকে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছেন।





 in front of a market chart and US dollar-320x167.webp)