এর আগে গতকাল রাতে নিহত পান্নু মিয়ার স্ত্রী নার্গিস বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮০–৯০ জনকে আসামি করে একিটি মামলা করেন।
এর আগে শনিবার সাত বছরের শিশু আতিকা আক্তারকে হত্যার অভিযোগে তার মা আরিফা আক্তার থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি কিশোর নাঈমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেওয়া হলে বিচারক তাকে গাজীপুরের কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে নাঈম জানায়, শিশুটির কানের সোনার দুল নিতে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত কিশোর নাঈমের বাবা পান্নু মিয়া ও চাচা ফজলুকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় গুরুতর আহত হয় তার বড় ভাই নাজমুল হোসেন, যিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, চুরি করা স্বর্ণালংকার কেনার অভিযোগে স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিত্য কর্মকারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসি ইকরাম হোসেন জানান, পিটুনিতে দুই ভাইকে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





