আলোচনা সভায় জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সংহতির আহ্বান জানান আলোচকরা।
বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই—এমন কথাও উঠে আসে এ সভায়।
ধরার সদস্য সচিব শরীফ জামিল ‘বাংলাদেশের জ্বালানি রূপান্তরের পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব’ বিষয়ে বলেন, ‘বিদ্যমান বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর অধিগ্রহণকৃত অতিরিক্ত জমি ব্যবহার করে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করলে দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটকালেও মানুষ নিরাপত্তা পাবে।’
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল) বলেন, ‘জ্বালানি ও পরিবেশের বিষয়টি একাধিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় সমন্বিত পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি।’
বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে পরিবেশ দূষণ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে উল্লেখ করে রামপাল প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশের বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত ছাদ ও শিল্পকারখানার জায়গা ব্যবহার করে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের এশিয়া ক্যাম্পেইনার মেগা মাসকি, ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান দিপাল বড়ুয়া এবং সিপিআরডির নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুদ্দোহা।
এসময় বক্তারা জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে আইনি ও নীতিগত কাঠামো সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।





