এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৬ মাস বয়স থেকে শুরু করে দশ বছর বয়সেই শিশুদের এই টিকা দেয়া হবে। আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ হামের টিকা ধার হিসেবে নিচ্ছে সরকার। পরবর্তী সময়ে এটা তাদের এই টিকা দিয়ে দেয়া হবে। আগামীকাল ও এরপরের দিনের মধ্যে টিকা ও সিরিঞ্জ কালেক্ট করে সারা দেশে পাঠিয়ে দিবো।’
সারা দেশে টিকা কার্যক্রম ভালোভাবে সম্পন্ন করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাম্প্রতিক মৃত্যুর খবরে যে প্যানিক সৃষ্টি হয়েছে, তা সঠিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘মূলত মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের। তারা সবাই হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেনি।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এখনো মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে অর্ধশতাধিক শিশু মারা গেছে।’
আরও পড়ুন:
ব্রিফ্রিংয়ে জানানো হয়, এর মধ্যে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২৫ শিশু; বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ৬; ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫; চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪; রাজশাহী, পাবনা ও গোপালগঞ্জে একজন করে এবং বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ৮টি শিশু মারা গেছে। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি হাম রোগী (৩৬ দশমিক ২৪ শতাংশ) শনাক্ত হয়েছে। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, সিলেট ও রংপুর বিভাগ।
ইপিআই সারা বছর যে ১২টি রোগের জন্য ১০টি টিকা দেয়, সেগুলোর মধ্যে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে এমআর টিকাও রয়েছে। হাম প্রতিরোধে ইপিআইয়ের অধীনে ৯-১৫ মাস বয়সী শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশ শিশু টিকা পায়।
হাম মোকাবিলায় প্রস্তুতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে হাম মোকাবেলায় পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটর প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক শয্যাও প্রস্তুত করা হয়েছে।’





