আজ (রোববার, ২৯ মার্চ) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন সাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ মার্চ কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের তিনলাখপীর এলাকায় একটি ইপিজেড স্থাপনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যানকে চিঠি দেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়া।
চিঠিতে বলা হয়, তিনলাখপীর এলাকাটি কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। তিনলাখপীর এলাকা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর এবং আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের দূরত্বও সীমিত।
সড়ক ও রেলপথে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের সহজ যোগাযোগের কারণে কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে আদর্শ স্থান তিনলাখপীর। এখানে বিশাল আয়তনের খাস জমিও রয়েছে। এর ফলে তিনলাখপীর এলাকাটি ইপিজেড স্থাপনের জন্য উপযোগী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘তিনলাখপীরে প্রচুর খাস জমি রয়েছে সরকারের। প্রয়োজনে ব্যক্তি মালিকানার জমিও সহজেই অধিগ্রহণ করা যাবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনারও ভালো সু্বিধা রয়েছে। এখানে ইপিজেড হলে কসবা-আখাউড়া তথা পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ আছে। তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। বেপজা আমার প্রস্তবাটি গ্রহণ করায় কর্তৃপক্ষের প্রতি, সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করি তিনলাখপীরে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জেলাভিত্তিক ইপিজেড করার যে পরিকল্পনা সেটির বাস্তবায়ন শুরু হবে।’





