প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা কোনো কিছু দিয়েই পূরণ হওয়ার নয়।’
প্রতিমন্ত্রী নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুন:
এর আগে বুধবার বিকেলে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পানিতে পড়ে যায় ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ এর বাসটি। এসময় বেশকিছু যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ হন অনেকে।
পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যাওয়া বাসটি ৬ ঘণ্টা পর টেনে তুলেছে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। এরপর সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে তোলা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ জনের মরদেহ এরইমধ্যে শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ২৬ জনের মধ্যে ২৪ জনকে পানির নিচে তলিয়ে থাকা বাসের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন পুরুষ, নারী ১১ জন ও পাঁচজন শিশু।





