স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না। সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই, বিষয়টি এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার দলের পথ থেকে পদত্যাগ করেছেন, যাতে নিরপেক্ষতা বজায় থাকে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিকভাবে সেরকম কোনো পরিষদের (সংস্কার পরিষদ) অস্তিত্ব তো আমাদের সামনে নেই। যদি গণভোটের রায় অনুসারে সেটা ধারণ করতে হয় কনস্টিটিউশনে সেটা সংবিধানের আগে সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন হলে সে মত সেটা সংবিধানে ধারণ হবে। তারপরে যদি পরিষদ হয় তারপরে যদি ফর্ম হয় যদি শপথ গ্রহণ করতে হয় সেটা তারপরের ব্যাপার।’
একই সময় সরকার দলীয় আরেক সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদে কথা হবে।’
সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে যা হবে তা জাতীয় সংসদের নিয়ম অনুযায়ী হবে বলে জানান তিনি।
বিরোধীদলের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির ভাষণের আলোচনায় অংশ নেবে বিরোধীদল। সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে আলোচনা উত্থাপন করা হবে।’





