সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট আরোপের পর দুই সপ্তাহ পেরিয়ে তৃতীয় সপ্তাহে শুরু হয়েছে। ইরানে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চললেও বিভিন্ন বিকল্প উপায়ে তথ্য আদান–প্রদান চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন অনেকে।
পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, দেশটির ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিকের চেয়ে মাত্র প্রায় এক শতাংশে নেমে এলেও মোট সংখ্যার হিসাবে তা এখনও উল্লেখযোগ্য। সংস্থাটির গবেষণা প্রধান ইশিক মাতার বলেন, এই ব্ল্যাকআউট সরকারি সিদ্ধান্তে আরোপ করা হয়েছে; এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফল নয়।
আরও পড়ুন:
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ইরান গবেষক রাহা বাহরেইনি বলেন, তথ্য প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও ভিন্নমত দমনে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে এই ব্যবস্থা নিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কেউ শর্টওয়েভ রেডিও, ল্যান্ডলাইন ফোন কল বা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উপায়ে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। কিছু ব্যবহারকারী ভিপিএনসহ বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমিতভাবে ইন্টারনেটে প্রবেশের চেষ্টা করছেন।





