বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) আমদানিকারক ভারত। আমদানি করা এলপিজির তিন ভাগের দুই অংশ রান্নার গ্যাস হিসেবে ব্যবহার হয়। আর এই এলপিজির ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ সরবরাহ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।
ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে হোঁচট খেয়েছে জ্বালানি সরবরাহ। এই অজুহাতে ভারতে এলপিজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক কোম্পানি। শুধু তাই নয় রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোও দাম বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছে। দিল্লিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে সাত শতাংশ। এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুন:
এমন অবস্থায় ভারতের জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি বলেছেন, রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই দেশে। একাধিক উৎস ও রুট দিয়ে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রয়েছে। গ্রাহকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি। অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
তবে বাস্তবতা পুরোটাই ভিন্ন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বিভিন্ন গ্যাস কোম্পানি। রান্নার গ্যাসের সংকটের আশঙ্কায় বিতরণ কেন্দ্রের সামনে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি। রাজধানী নয়াদিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে একই চিত্র।
এদিকে বাসমতি চালের রপ্তানি নিয়ে হুমকির মুখে পড়েছে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের ধান চাষিরা। যুদ্ধে উপসাগরীয় বাণিজ্য থমকে যাওয়ায় প্রায় চার লাখ টন ভারতীয় বাসমতি চাল বন্দরে আটকা পড়েছে। এই চালের মূল ক্রেতা সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ।
এদিকে জ্বালানির দাম বাড়ায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান ভাড়া বাড়িয়েছে ইয়ার ইন্ডিয়া। যা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ভারতীয়রা।





