অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উদ্বোধনকালে প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এ আধুনিক ৬ তলা ভবনটি সেই সীমাবদ্ধতা দূর করবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু একটি ভবন নির্মাণ করিনি, বরং এখানে নাগরিকদের জন্য আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, পাঠাগার এবং ব্যায়ামাগারের ব্যবস্থাও রেখেছি।’
আরও পড়ুন:
এসময় তিনি স্থানীয় নাগরিকদের এ রাষ্ট্রীয় সম্পদটির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান। এ কমিউনিটি সেন্টারের ভিত্তি-প্রস্তর স্থাপনকারী সাবেক মেয়র মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের কারণে পুরান ঢাকা আজও খোকা ভাইয়ের কাছে ঋণী।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিএসসিসির নিজস্ব তত্তাবধানে ৩৮ দশমিক ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬ তলা বিশিষ্ট এ আধুনিক ভবনটিতে রয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের সুপ্রশস্ত জায়গা। কমিউনিটি সেন্টারটির ২য়, ৩য় ও ৪র্থ তলায় প্রতি ফ্লোরে ৫৫০ জন করে মোট ১,৬৫০ জন অতিথি আপ্যায়নের সক্ষমতা রয়েছে। ভবনের ৫ম তলায় রয়েছে ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস, আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র ও পাঠাগার (লাইব্রেরি)। এছাড়া, সুস্থ জীবনধারা নিশ্চিত করতে ৬ষ্ঠ তলায় স্থাপন করা হয়েছে অত্যাধুনিক জিমনেসিয়াম।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, বর্তমানে ডিএসসিসির অধীনে আরও বড় পরিসরে সামাজিক কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। এর মধ্যে ডিসিএনইউপি প্রকল্পের আওতায় ৯টি কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ ৫২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া করপোরেশনের নিজস্ব তহবিলে ১৯টি কেন্দ্রের কাজ চলমান এবং আরও ৩০টি নতুন কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





