বিষয় (Event Detail) বিবরণ (Description) সময়কাল (Time) উৎসবের নাম দোল পূর্ণিমা / হোলি উৎসব ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি প্রধান আচার আবির খেলা ও পূজা অর্চ্চনা সকাল থেকে সন্ধ্যা বিশেষ গুরুত্ব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব গৌর পূর্ণিমা তিথি বার্তাসমূহ সম্প্রীতি, প্রেম ও অহিংসা সার্বজনীন
আরও পড়ুন:
দোলযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য (Religious significance of Dol Jatra)
বৈষ্ণব শাস্ত্রীয় মতে, ফাল্গুনী পূর্ণিমার এই তিথিতে শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও তাঁর সখীদের সঙ্গে আবির খেলায় (Playing with colors) মেতেছিলেন। সেই পুণ্যস্মৃতিকে ধারণ করেই ভক্তরা প্রতি বছর এই দিনে রং খেলায় মেতে ওঠেন। হিন্দুধর্মে এই দিনটি প্রেম (Love), বসন্ত (Spring) এবং অমঙ্গলের বিনাশ ঘটিয়ে মঙ্গলের আহ্বানের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া এই দিনটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মতিথি হওয়ায় বৈষ্ণবদের কাছে এটি 'গৌর পূর্ণিমা' (Gaura Purnima) হিসেবেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
রাজধানীসহ সারাদেশে উৎসবের আমেজ (Nationwide celebrations)
দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির (Dhakeshwari National Temple) সহ দেশের বিভিন্ন মঠ ও মন্দিরে বিশেষ পূজা, হোম যজ্ঞ (Holy fire ritual) এবং প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা প্রথমে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহে আবির ও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন এবং এরপর একে অপরকে আবিরে রাঙিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন।
অন্ধকার ঘুচিয়ে আসুক মঙ্গলের আলো (Prayers for peace and safety)
আবিরের শুদ্ধ রঙে রঙিন হয়ে ভক্তদের একটাই প্রার্থনা—সমাজের সব অন্ধকার ও অশুভ শক্তি যেন দূরীভূত হয়। উৎসবে আসা পূর্ণ্যার্থীরা কামনা করেন, আবিরের এই পবিত্র রঙ যেন সবার মনে শান্তি ও সম্প্রীতি বয়ে আনে। বিশেষ করে নারী সহিংসতা (Violence against women) সহ সব ধরণের সামাজিক অপকর্ম বন্ধ হয়ে পৃথিবী যেন আরও সুন্দর ও নিরাপদ হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:





