তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকায় ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হামলার বিষয়ে তারা অবগত নয়। গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরাইল অতীতে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর একাধিক প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং পরে প্রমাণ সামনে এলে সেগুলোকে ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলে উল্লেখ করেছে।
আরও পড়ুন:
আজ (মঙ্গলবার, ৩ মার্চ) ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারে মিনাবের একটি চত্বরে হাজারো মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এক নারী, যিনি নিজেকে নিহত ‘আতেনার’ মা হিসেবে পরিচয় দেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিহতদের ছবি তুলে ধরে একে ‘আমেরিকান অপরাধের দলিল’ বলে অভিহিত করেন। সেসময় জনতা “ডেথ টু আমেরিকার”, “ডেথ টু ইসরাইলের” ও “কোনো আত্মসমর্পণ নয়” স্লোগান দেয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করেছেন। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেসকো ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মালালা ইউসুফজাই এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো স্কুলে হামলা চালাবে না এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
