ঠাকুরগাঁও সদরের আখানগর ও বড়গাঁও ইউনিয়নের দুটি গ্রামে এখনও তৈরি হয় বাঁশের শিল্পকর্ম। নানা সংকটেও বংশ পরম্পরায় এই শিল্প ধরে রেখেছেন দুশতাধিক কারিগর। সড়ক ও বাড়ির আঙিনায় নিপুণ হাতে তৈরি করছেন ডালা, কুলা, ঝুঁড়ি, ঢাকনা ও আসবাবপত্রসহ নানা ধরনের জিনিসপত্র।
নিখুঁত ভাবে তৈরি করা হলেও নেই আগের মতো কদর। প্লাস্টিক পণ্যের দাপটে দিন দিন অস্তিত্ব সংকটে বাজার। সেই সঙ্গে বেড়েছে কাঁচামালের দাম। পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে পেশা বদলের চিন্তা কারিগরদের।
আরও পড়ুন:
বাঁশ শিল্পের কারিগররা জানান, আগের চেয়ে দাম অনেক কম। প্লাস্টিকের জন্য বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কারিগরদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে বলে জানান বিসিক কর্মকর্তারা।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিসিক কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ক্ষুদ্র বাঁশের শিল্পকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে। এরই মধ্যে অনেককেই ঋণ প্রদান করা হয়েছে।’
বর্তমানে জেলায় প্রতিটি বাঁশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকায়। শ্রমের মূল্য ছাড়াই একটি বাঁশ থেকে বানানো পণ্যে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন কারিগররা। এতে মেটে না জীবিকা নির্বাহের খরচ।





