এ সময় চাঁদাবাজি, অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক জটিলতা ব্যবসার বড় বাধা বলে দাবি করে ব্যবসায়ী নেতারা। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়তে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানায় ডিসিসিআই।
এফবিসিসিআই জানায়, ব্যবসায়িক আস্থা গড়ে ওঠে আইনের শাসন এবং স্থিতিশীল পরিবেশ ঘিরে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। কঠোর মুদ্রানীতি ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রভাব ফেলেছে বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণে।
এমন প্রেক্ষাপটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি নিরাপদ ব্যবসা পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন ব্যবসায়ী নেতারা। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ‘বাণিজ্য সহজীকরণ ও নির্বাচন-পরবর্তী উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় উঠে আসে চাঁদাবাজি, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশাসনিক জটিলতার নানা বিষয়।
আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে চাঁদাবাজির কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক থাকে না। তবে নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তার কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকবে।’
সভায় বক্তারা বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।’
চাঁদাবাজি যে অঙ্কেই হোক, ভোক্তারাই এর ফল ভোগ করে; তাই এ ধরনের চাঁদাবাজি কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা।





