প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড সবার জন্য চালু করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীদের এ সুবিধা দেয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ মার্চ দেশের ১৪টি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্পের আওতায় আগামী চার মাস কার্ডের টাকা পাবেন উপকারভোগীরা।’
এরপর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন তারা অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তার ভাতা পাবেন না। একজন উপকারভোগীকে একটি কার্ডই পছন্দ করতে হবে। তবে প্রাথমিকভাবে ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ডধারীরা তাদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংক একাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাবেন।’
এছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম জনগণের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন হবে, কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না বলেও জানান তিনি।
এ সময় নাটোরের চারটি আসনে উন্নয়নের বিষয়ে যথাসাধ্য চেষ্টার পাশাপাশি নিরাপদ, চাঁদাবাজ, দখল এবং দুর্নীতিমুক্ত, সুন্দর ও সমৃদ্ধ নাটোর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
আজ বেলা ১২টার দিকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার নাটোরের আসেন ফারজানা শারমিন পুতুল।
অনুষ্ঠানে নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাবসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তারা, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।





