সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সোনালি জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগে ছিল ৩২০ টাকা।
অন্যদিকে, গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৫০; রুই ৩৫০ থেকে ৪০০, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০, দেশি টেংরা ৪৫০, বেলে ২৫০, বাইন ৬০০; চিংড়ি আকারভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০, পাবদা ৪০০, কই ৩৫০ থেকে ৪০০, শিং ৪০০, পোয়া ২৬০, সইল ৭০০ এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া বলেন, ‘আগে পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দাম তুলনামূলক কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়েছে। রুই বা কাতলা কিনতে গেলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা লাগে। নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে এত দাম দিয়ে মাছ কেনা কঠিন।’
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরু ও মুরগির তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। তবে অনেকেই দাম জেনে ফিরে যাচ্ছেন। বিক্রেতারা জানান, মাছের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কম হওয়ায় অনেক ক্রেতা মুরগির দিকে ঝুঁকছেন।
রায়েরবাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, ‘বাজারে এখন ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে। ক্রেতা আনিসুল ইসলাম জানান, আজ ১৭৫ টাকা কেজিতে ব্রয়লার কিনেছি। এক কেজি ৭০০ গ্রামের একটু বেশি ওজনের মুরগি ৩০০ টাকায় পেয়েছি। প্রথম রোজায় ১৯০ টাকা কেজি দিতে হয়েছিল।





