এ বছর মাঠে আলু তোলার আনন্দ অনেকটায় ম্লান। কেননা দাম নেই আলুর। পাইকারিতে প্রতি কেজি ৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচ হয়েছে কেজিতে ১৩ টাকা। গেলো বছরও আলুতে লোকসান দিয়েছেন চাষিরা। এ অবস্থায় অনেক কৃষকই পুঁজি হারিয়ে সামনে ফসল চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
কৃষকরা জানান, বাজারে আলুর দাম একদমি কত ৭ থেকে ৮ টাকা কেজি। এক বিঘা জমিতে বিশ থেকে বাইশ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে, এতে আমাদের ক্ষতি হচ্ছে প্রায় পনেরো হাজার টাকার মতো। আর সরকার থেকেও কোনো রকমের সহযোগিতা করা হয়নি।
আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরাও বলছেন আলুর দাম অনেকটা কম। কম দামে আলু কিনেও ভোক্তারা পাচ্ছেন না সুবিধা। ঢাকাসহ অন্যান্য মোকামে ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসায়ীক অবস্থা খুব একটা ভালো না তাদের। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আমাদের ব্যবসা করতে অনেক কষ্ট হবে।
বর্তমানে যে দামে আলু বিক্রি হচ্ছে তাতে কৃষকরা লোকসান গুনেছেন। গতবারেও লোকসানে দিয়েছেন। তাই এ কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ সংরক্ষণ পদ্ধতি বাড়ানোর সঙ্গে আলু জাতীয় খাদ্য পণ্য তৈরিতে প্রক্রিয়াজাত করনের উপর গুরুত্ব দেয়ার কথা।
বগুড়া অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মাহফুজ আলম বলেন, ‘আলুর কোল্ড স্টোর আছে, সে পরিমাণ আরও বাড়াতে হবে। যেন কৃষকরা আলুগুলো পর্যাপ্ত স্টোরেজ করতে পারে। আমরা যদি আলুগুলোকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে আলু চাষে আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের মাঝে।’
বগুড়ায় এবার ৫৬ হাজার হেক্টর জমিতে ১৩ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।





