অভিযান সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বাতেন ফকির বিক্রির উদ্দেশ্যে এক্সক্যাভেটর ব্যবহার করে যমুনা নদীর তীর থেকে মাটি কাটছিলেন, বালু তুলছিলেন। এতে নদীর তীরবর্তী এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন:
নদীর তীর ক্ষতিগ্রস্ত করে বালু ও মাটি উত্তোলন করায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ৪(গ) ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে একই আইনের ১৫ (১) ধারায় অভিযুক্ত বাতেন ফকিরকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘নদী ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। জনস্বার্থে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।’





