বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এই সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন মিরপুর ১০ এ পুলিশের গুলিতে পা হারানো ইমরান হোসাইন ও শহিদ সিফাত হোসেনের বাবা কামাল হাওলাদার সাক্ষ্য দেন।
এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ৩ মার্চ। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে এ মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
আরও পড়ুন:
এতে বলা হয়, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান ফোনালাপে কারফিউ জারি করে আন্দোলনকারীদের দমন করার পরিকল্পনা করেন। তাদের এ বক্তব্যের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাদের এই বক্তব্য হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে বলে অভিযোগ প্রসিকিউশনের।
এদিকে, যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে ইমাম হোসেন তাইম হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণ ২৯ মার্চ।
এছাড়া, রাজধানীর কল্যাণপুরের জাহাজবাড়ী ‘জঙ্গি সাজিয়ে’ ৯ জনকে হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনাসহ ৬ পলাতক আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার পরবর্তী শুনানি ৮ মার্চ।





