সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই আসতে পারে। এর প্রভাব এরইমধ্যে তেলের বাজারে দেখা গেছে। মঙ্গলবারের পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও গত এক মাসে প্রায় ১০ ডলার বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত বাড়লে তেলের দাম আরও দ্রুত বাড়তে পারে। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন হয়, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। এ পথে দীর্ঘ সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পূর্ণাঙ্গ অবরোধের সম্ভাবনা ক্ষীণ। সামরিক চাপে ইরানের পক্ষে প্রণালি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হবে। পাশাপাশি এতে দেশটির নিজস্ব রাজস্ব হারিয়ে বড় মাত্রার ধাক্কা খাবে। অতীতেও সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার মতো ঘটনায় দাম সাময়িকভাবে বেড়েছিল, পরে দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে।
তবু সীমিত সংঘাত হলেও যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম আবার গ্যালনপ্রতি ৩ ডলারের ওপরে উঠতে পারে। আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নতুন করে জ্বালানির দাম বাড়লে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



