পিচ ও পাথর উঠে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। বর্ষায় কাদা, আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলায় যাত্রী ও চালকরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে। বরগুনার বেশিরভাগ গ্রামীণ সড়কের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন রোগী ও স্কুলগামী শিশুরা। এতে শুধু জনভোগান্তিই বাড়ছে না, ব্যাহত হচ্ছে জেলার অর্থনীতি। ভাঙা রাস্তার এমন দুর্দশায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
সাধারণ মানুষেরা জানান, হাসপাতেলে নেয়ার সময় প্রায় ঝুঁকিতে পরতে হয়। আর সরকারের উচিত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা।
প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাবে থমকে আছে সড়ক সংস্কারের কাজ। রাস্তাঘাটের এ করুণ দশায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে গাড়ি চালকরা। এ রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে প্রায় সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় বলে জানান গাড়ীচালকরা।
আরও পড়ুন:
এদিকে, জেলার অধিকাংশ সড়ক মেরামতের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। দ্রুত মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরুর আশ্বাস জনপ্রতিনিধিদের।
বরগুনা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, ‘অধিকাংশ রাস্তা সংস্কার প্রক্রিয়াধীন আছে। আর টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কার্যক্রম শুরু হলে, বরগুনার চিত্র পাল্টে যাবে। তখন আশাকরি আর ভোগান্তি হবে না।’
বরগুনার ছয়টি উপজেলায় এলজিইডির আওতায় রয়েছে মোট ৭ হাজার ৫৬১ কিলোমিটার সড়ক। এর মধ্যে কার্পেটিং সড়ক ১ হাজার ৪৪১ কিলোমিটার এবং বাকি ৬ হাজার ১২০ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক।





