Recent event

রেমিট্যান্স পাঠানোয় বড় বাধা ভিসা জটিলতা, বাড়ছে হুন্ডির ব্যবহার

ভিসা জটিলতায় বাড়ছে হুন্ডির ঝুঁকি
ভিসা জটিলতায় বাড়ছে হুন্ডির ঝুঁকি | ছবি: এখন টিভি
0

গত কয়েকমাসে ক্রমাগত বাড়ছে প্রবাসী আয়। চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১২৪ কোটি ডলার। তবে, বৈধ ভিসাধারী না হলে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছেন না বাংলাদেশি কর্মীরা। বেছে নিতে হচ্ছে হুন্ডি ও অবৈধপন্থা। প্রবাসীরা বলছেন, এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে পারলে আরও বাড়তে পারে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত প্রবাসীরা ২১ হাজার ২৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরে একই সময়ে যা ছিল ১৭ হাজার ৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত জানুয়ারিতেও ৩১৭ কোটি ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

প্রবাসীরা বলছেন, বৈধ কর্মীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারলেও অনিয়মিত বা কাগজপত্রবিহীনদের বেছে নিতে হচ্ছে হুন্ডি বা অন্য কোনো অবৈধ পন্থা। ফলে প্রবাসী আয়ের একটি বড় অংশ চলে যায় অবৈধ পথে।

প্রবাসীরা জানান, যারা অবৈধভাবে বসবাস করে তাদের টাকা পাঠানোর জন্য আইডির প্রয়োজন। ব্যাংক থেকে জানতে চায় আয়ের বৈধ উপায় কি।

আরও পড়ুন:

মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের কিছু দেশে কর্মীদের বেতন অনুযায়ী রেমিট্যান্স পাঠানোর নিয়ম আছে। সাধারণ কর্মীদের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোতে আছে লেনদেনের সীমাবদ্ধতা।

প্রবাসী একজন বলেন, ‘গ্রিস থেকে একজন প্রবাসীকে তার পাসপোর্টের মাধ্যমে বছরে ১৫ হাজার ইউরো পাঠাতে পারে। আর একদিনে ৪ হাজার ইউরো পাঠাতে পারে।’

এদিকে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়াতে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোকে শ্রমিকদের নিয়ে ক্যাম্পেইন পরিচালনা, দূতাবাসে বিশেষ সেমিনার ও বিদেশ যাবার আগেই কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক করতে বলছেন শারজাহ ইসলামিক ব্যাংকের সাবেক এই কর্মকর্তা।

শারজাহ ইসলামিক ব্যাংক সাবেক কর্মকর্তা আবদুল করিম শেখ বলেন, ‘যখন একজন শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে বাহিরের দেশে যাচ্ছে তখন ইমিগ্রেশনে জানতে চাওয়া উচিত তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে কিনা। আর যেসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য যাচ্ছে সেসব প্রতিষ্ঠান ও আগে অ্যাকাউন্ট তৈরি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা।’

প্রবাসীরা বলছেন, কাগজপত্রবিহীন কর্মীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে কেবল পাসপোর্টের ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো উপায় নিশ্চিত করা গেলে কষ্টার্জিত আয় বৈধ পথে দেশে আসার সুযোগ তৈরি হবে।

জেআর