প্রতিবছর পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আগে থেকেই চাহিদার তুলনায় পণ্য আমদানি বাড়ান ব্যবসায়ীরা। এসময় বাজার ও আড়তগুলোতে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও চাহিদা থাকে বেশি। ফলে আসন্ন রমজান ঘিরে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দর।
তথ্য অনুযায়ী, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল, বেসনের আমদানি গতবারের তুলনায় এবার বেড়েছে কয়েকগুণ। রোজা সামনে রেখে চিনি আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি। মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার টন, আর ছোলা আমদানি হয়েছে চাহিদার তুলনায় ২৮ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি।
বাজারে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলাতে স্বস্তি রয়েছে, পাইকারি পর্যায়ে সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৮৫–১৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, চিনি-৯৬ ছোলা ৯০-১০৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদা বেশি থাকার কারণে বেসন কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা দরে। খেসারি ডাল ৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকায়।
আরও পড়ুন:
তবে নগরবাসী হিমশিম খাচ্ছে পেঁয়াজ, খেজুর, রসুন, আদা কিনতে গিয়ে। মানভেদে খেজুর মিলছে ৪০০-১২০০ টাকায়। রমজান সামনে রেখে শীত মৌসুম শেষ হওয়ার অযুহাতে বাজারে উত্তাপ ছড়িয়েছে বেগুন, মরিচ, লেবু, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬০ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির চিত্র ইতিবাচক হলেও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় হাত বদলের কারণে বাজার ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতাদের অভিযোগ, সংকটের অজুহাতে রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে মানুষের নাভিশ্বাস তোলা হচ্ছে।
এদিকে, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জানান, নির্বাচন পরবর্তী ব্যস্ততায় কর্মকর্তাদের তদারকি কমে যাওয়ায় সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।
এছাড়াও, সোনালি ও দেশি মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় খুব একটা না বাড়লেও ডিমের দর হালিতে বেড়েছে ২ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে ব্রয়লার ও গরুর মাংসের দর।




