১. শহরের বাইরে একাকী ভ্রমণ (Solo Traveling)
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য ভ্যালেন্টাইন ডে হতে পারে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সেরা সুযোগ। কাঁধে ট্রাভেল ব্যাগ ঝুলিয়ে একা একাই বেরিয়ে পড়া যায় কোনো অজানার উদ্দেশ্যে। বাসের জানালার পাশে বসে কানে ইয়ারফোন (Earphones) লাগিয়ে প্রিয় প্লে-লিস্ট শুনতে শুনতে অচেনা গ্রাম বা পাহাড়ের চূড়ায় হারিয়ে যাওয়া নিমেষেই মনের ক্লান্তি দূর করে দেয়। সলো ট্রিপ (Solo trip) আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর অন্যতম উপায়।
আরও পড়ুন:
২. বন্ধুদের সঙ্গে জম্পেশ আড্ডা (Hangout with Friends)
যাদের সঙ্গী নেই, তাদের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বন্ধু। ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে সিঙ্গেল বন্ধুদের নিয়ে পাড়ার টং দোকান, টিএসসি (TSC) কিংবা প্রিয় কোনো ক্যাফেতে আড্ডা দেওয়া যেতে পারে। ঝালমুড়ি আর চা সহযোগে বেহিসাবি আড্ডা (Unfiltered conversation) কর্মজীবনের একঘেয়েমি কাটাতে জাদুর মতো কাজ করে।
৩. সিনেমা বা সিরিজ দেখা (Binge-watching Movies/Series)
যদি বাইরে যেতে ইচ্ছা না করে, তবে ঘরে বসে পছন্দের মুভি বা টিভি সিরিজ (TV Series) দেখা হতে পারে সেরা কোয়ালিটি টাইম। হাতে এক মগ কফি নিয়ে কমেডি শো বা থ্রিলার সিনেমা দেখে সময় কাটানো অফিসপাড়ার সিঙ্গেলদের জন্য দারুণ এক বিনোদন।
৪. পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো (Spending Time with Family)
ভালোবাসা মানে কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার প্রেম নয়, এটি বাবা-মা ও ভাইবোনের প্রতিও হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের ছোট ছোট উপহার (Gifts) দিয়ে ঘরেই আয়োজন করা যেতে পারে মজার কোনো অনুষ্ঠান। কবিতা আবৃত্তি বা গানের আড্ডায় বড় পরিবারগুলোতে ঈদের মতো আনন্দ বয়ে আনতে পারে এই দিবস।
৫. নতুন রেসিপি রান্না (Cooking New Recipes)
যারা রান্না করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য ভ্যালেন্টাইন ডে একটি সৃজনশীল দিন। নিজের জন্য বা প্রিয়জনদের জন্য সময়সাধ্য কোনো নতুন খাবার রান্না (Experimental cooking) করে ছোটখাটো ডিনার পার্টির আয়োজন করা যায়। এটি মানসিক প্রশান্তির একটি বড় উৎস।
আরও পড়ুন:
৬. কন্টেন্ট ক্রিয়েশন বা ব্লগিং (Content Creation/Blogging)
নিজের শখ বা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন ব্লগ (New Blog) বা ভিডিও তৈরি করা যেতে পারে। গিটার বাজানো, রান্না কিংবা ভ্রমণের ভিডিও রেকর্ড করে ইউটিউব বা ফেসবুকে আপলোড করা শুধু তৃপ্তিই দেবে না, বরং ডিজিটাল ক্যারিয়ার (Digital career) গড়তেও সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন:





