শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। আমাদের নেতারা যারা দুনিয়া ছেড়ে শহিদ হয়ে চলে গেছেন, দেশ এবং জাতির খেদমত করাই ছিল তাদের অপরাধ। সে অপরাধে তারা দণ্ডিত হয়েছেন। এজন্য হাসিমুখে ফাঁসির তক্তার ওপর তারা দাঁড়াতে সৎ সাহস করেছিলেন। কারণ তারা জানতেন, দেশপ্রেমের কারণে তাদের খুন করা হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘সামাজিক নিরাপত্তার বড় অভাব। শিশুটি যখন স্কুলে যায়, মায়ের বুক তখন দুরু দুরু করে কাঁপে। আমার সন্তান নিরাপদে ফিরবে তো? কেন? কিছু দস্যুর কারণে, সমাজের কিছু দুশমনের কারণে, কিছু দুষ্টু লোকের কারণে। আমরা ইনশা আল্লাহ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে, আমাদের নারী জাতির জন্য বিশেষ করে এমন একটা দেশ আমরা গড়তে চাই, যেখানে আমাদের নারী জাতির কোনো একজন সদস্যের দিকে কোনো দুর্বৃত্ত লাল চোখ দিয়ে তাকানোর কোনো দুঃসাহস দেখাবে না। মায়েরা পূর্ণ নিরাপত্তা অনুভব করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ বাংলাদেশে শুধু মুসলমানরা বসবাস করি না। মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, কিন্তু এখানে আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ভাই-বোনেরা আছেন। আমরা মিলেমিশে দেশকে একটা ফুলের বাগান হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশা আল্লাহ। আমরা ধর্মের ভিত্তিতে আর কোনো বিভাজন কাউকে করতে দেবো না। যারা অতীতে এ বিভাজন করেছে তারাই অন্যদের সবচেয়ে বেশি সর্বনাশ করেছে। আমরা মিলেমিশে একটা সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্বের ভেতরে একটা ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।





