তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা ব্যালটের মাধ্যমে ভারতের আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি নতুন বাংলাদেশের বন্দোবস্তের প্রশ্ন।’
সাদিক কায়েম বলেন, ‘গত ১৬ বছরে সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ জুলুম-নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমাদের ভাই-বোনদের হত্যা করা হয়েছে, ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, মায়েদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে। শহীদ আবু সাঈদসহ অসংখ্য তরুণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফ ও মানবিকতার বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি কোনো দলের বা পরিবারের বিজয় চান না, তিনি চান ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।’ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান সাদিক কায়েম।
আরও পড়ুন:
একই দিন কালিগঞ্জ উপজেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত আরেক জনসভায় সাদিক কায়েম বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের শহিদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কেউ আবার পুরনো দুঃশাসন ফিরিয়ে আনতে পারবে না।’ এসময় তিনি বলেন, ‘যারা নিজেদের দলেই নিরাপত্তা দিতে পারেনি, তারা কিভাবে দেশ চালাবে?” জামায়াতে ইসলামী মানুষের পাশে থেকে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করছে।’
এদিকে সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে নকিপুর সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায়ও বক্তব্য দেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। সেখানে তিনি বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে, যেখানে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দখলদারির কোনো জায়গা থাকবে না।’ ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মাফিয়াতন্ত্রের অবসান ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, ‘দেশের মানুষ শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার চায়। তিনি দাবি করেন, জামায়াত ইসলামী একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম।’
জনসভাগুলোতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন। মিছিল ও স্লোগানে জনসভাস্থলগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।





