ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘জামায়াতের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে, যেখানে হিংসা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মাফিয়াতন্ত্রের অবসান ঘটবে। জামায়াতে ইসলামী জুলাই পরবর্তী সময়ে মানুষের পাশে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে।’
জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম, রাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরও পড়ুন:
অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, ‘দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবসম্মত ও বিজ্ঞানভিত্তিক, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, কৃষি উন্নয়ন ও সুশাসনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।’
সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শ্যামনগর একটি উপকূলীয় দুর্যোগপ্রবণ জনপদ। এখানকার মানুষের প্রধান দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও উপকূল সুরক্ষা। নির্বাচিত হলে নদীভাঙন প্রতিরোধ, পানি নিষ্কাশন উন্নয়ন, আধুনিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, রেললাইন স্থাপন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একশো শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হবে। পাশাপাশি সুন্দরবন সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে।’





