প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমবার ভোটারদের ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ জামায়াতকে ভোট দিতে চায়। এছাড়া সাবেক আওয়ামী লীগের ৪৮% ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চায়।
জরিপে বলা হয়, ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে ৬৭ শতাংশের বেশি ভোটার দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে দুর্নীতি চান না ৬৭ শতাংশের বেশি ভোটার।
সিআরএফ জরিপ প্রকাশ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ বলেন, ‘কারা দুর্নীতি ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে সেটি বিবেচনা করবেন ভোটাররা।’
জরিপে আরও জানা যায়, প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ এখনও টেলিভিশন থেকে রাজনৈতিক খবর সংগ্রহ করেন। তবে ৭৩ শতাংশ অন্তত দুইটি উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে থাকেন।
এছাড়াও ২০ শতাংশ ভোটারদের ভোট নিরাপদে হওয়া নিয়ে শঙ্কা আছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেই সঙ্গে ভোট দিতে যাওয়ার পথে বাধা প্রদান ও ব্যালট বক্স ছিনতাই এবং প্রাতিষ্ঠানিক ভোট জালিয়াতির শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন জরিপে অংশগ্রহণকারীরা।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেদনে ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতি দেখানো নিয়ে শঙ্কা প্রকাশের হারও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির ৪৯ শতাংশ, এনসিপির ৭৩ শতাংশ এবং জামায়াতের ৭১ শতাংশ।
আওয়ামী লীগের ভোটারদের মধ্যে ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ বিএনপিতে, ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ জামায়াতে এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এনসিপিকে ভোট দেয়ার বিষয়ে মত দিয়েছে বলেও জরিপে উঠে এসেছে।
জরিপ প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০০৮ সালের পর প্রথম ভোট দেওয়া তরুণ ভোটারদের ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ জামায়াতে, ২৭ শতাংশ বিএনপিতে এবং ১৭ শতাংশ এনসিপিতে ভোট দেয়ার বিষয়ে জানিয়েছে।
সিআরএফ নির্বাচনি জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার মার্কা দেখে এবং ৩০ দশমিক ২ শতাংশ প্রার্থীর যোগ্যতা দেখে ভোট দেয়ার কথাও জানিয়েছেন।
জরিপে ভোটাররা ধর্মের চেয়ে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও তথ্য উঠে এসেছে। যার মধ্যে ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতিকে এবং ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ ধর্মীয় ইস্যুকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।





