শেষবার ১৯৮৬ সালেও এমন তুষারপাত দেখেনি জাপান। সেবার দিনে সর্বোচ্চ ১৮১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত তুষারপাতের সাক্ষী হলেও, এবার ভেঙে গেছে অতীতের সব রেকর্ড।
সোমবার উত্তরের আওমোরি শহরে সর্বোচ্চ ১৮৩ সেন্টিমিটার তুষারপাত রেকর্ড করা হয়। মঙ্গলবারও ১৭৫ সেন্টিমিটার তুষারপাত রেকর্ড করেছে প্রশাসন, বছরের এ সময়ে যা স্বাভাবিকের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি। এর আগে উওনোমা শহরে শুক্রবার তুষারের পুরুত্ব ২৭৩ সেন্টিমিটার ছাড়িয়ে যায়।
অপ্রত্যাশিত শীতের দাপটে জাপান সাগর উপকূলজুড়ে দুই সপ্তাহে দীর্ঘ হয়েছে মৃত্যুর মিছিল। সবচেয়ে বিপাকে প্রবীণ জনগোষ্ঠী। ৩শ' সেন্টিমিটার পুরু তুষারের স্তুপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ।
আরও পড়ুন:
সীমাহীন জনদুর্ভোগের মুখে মঙ্গলবার দুর্যোগকবলিত এলাকাগুলোতে সেনা মোতায়েনে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। হিমবাহ ধস আর ছাদে জমে থাকা ভারী তুষারের স্তর ভেঙে পড়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে স্থানীয়দের।
স্থানীয় একজন বলেন, ‘সেনাবাহিনী না এলে কী করতাম জানি না। ভাবছিলাম আজকালের মধ্যে কোন কোন এলাকায় তুষারের পাহাড় ভেঙে পড়তে পারে।’
বুধবার থেকে দেশজুড়ে তাপমাত্রা কিছু বাড়তে পারে বলে আভাস জাপানের আবহাওয়াবিদদের। এতে শীতের তীব্রতা কমে স্বস্তি এলেও বরফ গলতে শুরু করলে শঙ্কা আছে ধসের মতো বিপর্যয়ের। শুক্রবার থেকে আরেকটি তুষারঝড়ের প্রভাবে দেশের উত্তরাঞ্চলে আবারও কমতে পারে তাপমাত্রা।





