Recent event

১৮ মাস পর গাজায় ফিরলো প্রথম বাস, সীমান্তে অপেক্ষায় যুদ্ধাহতরা

রাফাহ ক্রসিংয়ে মিশরে যাওয়ার অপেক্ষায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ফিলিস্তিনি রোগীরা
রাফাহ ক্রসিংয়ে মিশরে যাওয়ার অপেক্ষায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ফিলিস্তিনি রোগীরা | ছবি: সংগৃহীত
0

রাফাহ ক্রসিং খোলার প্রথম দিনে গাজা থেকে মাত্র ৫ জন মুমূর্ষু রোগীকে মিশরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইসরাইলি। এখনও উন্নত চিকিৎসার আশায় সীমান্তের এপারে অ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষা করছেন যুদ্ধাহত ও জটিল রোগে আক্রান্ত অনেক ফিলিস্তিনি। এদিকে, প্রায় ১৮ মাস পর গাজায় প্রবেশ করেছে মিশরে আটকা পড়া ফিলিস্তিনিদের প্রথম বাস। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ চললেও ফিলিস্তিনিদের কাছে এখনও যুদ্ধের উপত্যকা গাজা। মঙ্গলবারও হয়েছে হামলা।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ রাফাহ খুলে দেয়ায় স্বজনদের জন্মভূমিতে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে গাজাবাসীর ভিড়। দিন কিংবা রাত; স্বজনদের বরণ করে নিতে কোনো কমতি রাখেননি যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকার বাসিন্দারা।

সোমবার প্রথম দিনে প্রায় ১৮ মাস পর মিশরে আটকা পড়া ১২ ফিলিস্তিনি বহনকারী একটি বাস ক্রসিং পেরিয়ে গাজায় প্রবেশ করে। তাদেরকে স্বাগত জানাতে ছুটে যান স্বজনরা। দীর্ঘদিনের পর প্রিয়জনকে দেখে কান্নায় ফেটে পড়েন অনেকে। এসময় ফেরত আসাদের চোখে - মুখেও হাসির ফোয়ারা।

তবে রাফাহ খুললেও কড়াকড়ি শিথিল করেনি ইসরাইল। প্রথম দিনে মাত্র ৫ জনকে মিশরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে তেল- আবিবে। এখনও উন্নত চিকিৎসার আশায় মিশরের যাওয়ার আশায় সীমান্তের এপাড়ে অপেক্ষা করছেন অনেকে।

এছাড়া, গাজাজুড়ে এখনও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। মঙ্গলবারও উপত্যকাটিতে ঝরেছে প্রাণ। এনিয়ে নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘও।

আরও পড়ুন:

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘আমরা গাজায় বেশ কিছু রক্তক্ষয়ী সহিংসতার খবর শুনেছি। এসব ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। জাতিসংঘ কখনই বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো হামলাকে সমর্থন করে না।’

এছাড়া, ডুজারিক কথা বলেন রাফাহ ক্রসিং প্রসঙ্গেও। জানান, অঞ্চলটি দিয়ে নাগরিকদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে চায় জাতিসংঘ।

গাজা নিয়ে ট্রাম্প উচ্চাভিলাষের কথা শোনালেও, এরই মধ্যে গঠিত বোর্ড অব পিসের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অঞ্চলটিতে কাজা করা মানবিক সংস্থাগুলো। যুদ্ধবিরতির ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও, গাজায় মানবিক সহায়তা সমানভাবে পাচ্ছেন না বাস্ত্যুচ্যুতরা।

আইএইচএইচ হিউম্যানিটারিয়ান রিলিফ ফাউন্ডেশন প্রকল্প ম্যানেজার দাফের মুশতাহা বলেন, ‘গাজার মানুষ মূলত জাতিসংঘ পরিচালিত বিভিন্ন সংস্থার ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল। যদি সংস্থাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় তাহলে পরিস্থিতি অনেক ভয়াবহ হবে।’

এছাড়া, টেকনোক্র্যাট শাসনব্যবস্থাটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে গাজার বাস্তুচ্যুতরাও। এদিকে, ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ হামাসকে অস্ত্র সমর্থনে দুই মাস সময় বেঁধে দিয়েছে বলে দাবি করেন ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী স্মোট্রিচ। যদিও বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।

এএম