এ ঘটনার জন্য ভারতের মদদপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠী ফিতনা আল-হিন্দুস্তানকে দায়ী করেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যদিও সিরিজ হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশ।
পাকিস্তানে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। কারণ শনিবার ভোরে বেলুচিস্তান প্রদেশের অন্তত ১২টি জায়গায় একযোগে চালানো সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ যায় ৩৩ জনের। যার মধ্যে ১৫ জনই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য । আর নারী ও শিশুসহ প্রাণ গেছে ১৮ বেসামরিক নাগরিকের।
এর জবাবে প্রশাসনের চালানো সন্ত্রাস নির্মূল অভিযানে নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ সন্ত্রাসী। এরমধ্যে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী ছিলেন ৩ জন। এক বিবৃতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং-আইএসপিআর। এ ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় একজন বলেন, ‘বাইরে পরিস্থিতি খুবই খারাপ। অনেক দোকানপাট পুরো বন্ধ। কিছুই কাজ করছে না।’
বেলুচিস্তানকে অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে থেকে হামলার ছক আঁকা হয়েছিলো বলেও জানা গেছে। তবে সন্ত্রাসীদের বড় ধরণের নাশকতার চেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করার কথা জানিয়েছে আইএসপিআর।
এদিকে হামলার দায় স্বীকার করেছে আফগানপন্থী নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি-বিএলএ। তবে হামলার জন্য ভারত থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভির। যার জন্য দায়ী করা হয় ভারতের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠী- ফিতনা আল-হিন্দুস্তানকে।
এ অবস্থায় সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এমনকি সন্ত্রাসী তৎপরতায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। অন্যদিকে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হুমকির বিস্তার সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন ও জাতিসংঘ।





