তিনি বলেন, ‘আমার এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত অরুচিকর-কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে। একটা দল দেখলাম হৈ হৈ-রৈ রৈ করে মিছিল শুরু করে দিয়েছে। যারা মা-বোনদের সম্মান করতে জানে না, তারা এখন মিছিল শুরু করলো। এ কাজ কে করেছে? ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি তো কলা খাই না। মুখ লুকিয়ে বলছে, আমি তো কলা খাই না। ওই কলা অর্ধেক খাওয়া অবস্থায় বলছে। সাবধান করে দিচ্ছি। এতে আবার আপনি মা-বোনদের অপমান করছেন। একেবারে ইতর শ্রেণি না হলে, এ কাজ কেউ করবে না।’
সমাবেশে নারীর উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘মায়ের গায়ে হাত দিলে বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হবে। যারা নারীদের কাপড় খুলে নিতে চায় তারা মানুষ নয়, অমানুষ। জামায়াত নির্বাচিত হলে নারীদের ঘর, চলাচল ও কর্মস্থল নিশ্চিত করা হবে।’
তরুণদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের কোনো জেলা মেডিকেল থেকে বাদ পড়বে না। আগামীর বাংলাদেশে আমরা যুবকদের পাইলট বানিয়ে, যাত্রী হয়ে যাবো। যে পেশার যত ওজন, বেতন-ভাতা সেভাবেই উন্নীত করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘কোনো চান্দা-বাটপারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে থাকবে না। দলীয়ভাবে আমরা কোনো প্রতিশোধ নেব না, আইন কাউকে হাতে তুলে নিতে দেব না। মামলা বাণিজ্য করব না, আমাদের মামলায় দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কেউ সন্ত্রাস করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে সমপরিমাণ জবাব দেবেন।’
আরও পড়ুন:
শেরপুরে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে মাওলানা রেজাউল করিমকে হত্যা করা হয়েছে। যারা হত্যা করেছে, নতুন না।’
সমাবেশের আগে তিনি বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত করেন।





