শেষ হলো ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার। বিশেষ করে ছুটির দিনে মেলা সমাপ্তি হওয়ায় শেষ মুহূর্তে কেনাকাটার সুযোগ নিতে এসেছেন অনেক ক্রেতাই। দূর-দূরান্ত থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে আসেন দর্শনার্থীরা।
শেষ দিনের ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অধিকাংশ স্টল ও প্যাভিলিয়নে দেয়া হয়েছে বিশেষ মূল্যছাড়। কোথাও ১০ শতাংশ, কোথাও আবার মিলছে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উপহার ও গিফট ভাউচারের নানা অফার, যা শেষ দিনে কেনাকাটার আগ্রহ বাড়িয়েছে।
ক্রেতারা জানান, দেশি-বিদেশি স্টলগুলোতে ঘুরে ঘুরে পণ্য দেখছেন তারা। কোনো পণ্য পছন্দ হলে পণ্য কিনছেনও তারা।
এবারের ৩০তম বাণিজ্য মেলায় প্রত্যাশিত আয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা। তারা জানান, যে প্রত্যাশা নিয়ে বাণিজ্য মেলায় আসা হয়েছে তার চেয়ে বেশি অর্জন করা হয়েছো ।
আরও পড়ুন:
এদিকে, সমাপনী অনুষ্ঠানে দশ ক্যাটাগরিতে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেয়া হয়। ভবিষ্যতে আরও জায়গা নিয়ে মেলার আয়োজন হবে, এমন আশা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।
বানিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, ‘আমরা গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে ছয় একর জমি নেয়ার জন্য কাজ করছি। আশা করি জায়গাটা যদি ইপিবির অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয়, তাহলে আমাদের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহার করতে পারবো।’
রপ্তানি ব্যুরোর তথ্যমতে, এবার মেলায় রপ্তানি আদেশ মিলেছে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা। আর কেনাবেচা হয়েছে প্রায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য, যা গত বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।





