জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আশ্চর্য যেদিকে আগাতে চাই একটা দল সামনে এসে এটা বাদ দিয়ে দেয়। আমাদের সামনে আগাতে দেয় না তার সাক্ষী এ জাতি। জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো যাবে, গণভোট হবে। তারা বলে যে গণভোট আবার কিসের? এরপর ঠেলা খেয়ে যখন মানলো তখন বলে যে গণভোট একইদিনে হতে হবে। আমাদের দাবি ছিলো গণভোট আগে হোক তাহলে গণভোটও সুন্দর হবে, সংসদ নির্বাচনও সুন্দর হবে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে করা হলো। এখন বলে আমরা গণভোট মানি না। এতদিন চালাচালি করে এখন যখন জনগণ জবাব চাচ্ছে তখন তারা গতকাল থেকে একটু একটু বলা শুরু করেছে। আসলে এরেই বলে ঠেলার নাম বাবাজি। এ জাতি যারে ধাক্কা দেয় তারে ছেড়ে দেয় না।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আফসোস কেউ কেউ জুলাই শহিদদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে লাগলো। জুলাইকে কোনো স্বীকৃতিই দিতে চাইলো না। আবার একসময় যখন দেখলো জুলাই বাংলাদেশ, মানুষ মিশে গেছে জুলাইয়ের সঙ্গে তখন বলে আমরাই জুলাইয়ের মাস্টার মাইন্ড। তারা একবার মানে না আরেকবার মাস্টার মাইন্ড হয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইকে সম্মান করা মানে চাঁদাবাজি হতে পারে না। জুলাইকে সম্মান করার মাঝে দুর্নীতি হতে পারে না, নিরীহ মানুষের জমি দখল হতে পারে না। মামলা বাণিজ্য হতে পারে না, আমার মায়ের গায়ে হাত তুলতে পারে না। এটা জুলাই চেতনা হতে পারে না।’





