বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও পানীয় বিষয়ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় এবার প্রায় ১ কোটি ডলারের নিশ্চিত ক্রয়াদেশ পেয়েছে বাংলাদেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠান। গত বছর এ ক্রয়াদেশ ছিল প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ডলার। ২০২৪ সালে যা ছিলো প্রায় ১০ কোটি ডলার। ভিসা জটিলতা, ভেন্যু পরিবর্তন, যথাস্থানে প্যাভিলিয়ন না পাওয়াসহ নানা কারণে আন্তর্জাতিক এ মেলা থেকে ক্রয়াদেশ কমার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
ইপিবির পরিচালক মো. ওয়ারেস হোসেন বলেন, ‘যারা আয়োজক তাদের জন্য যেমন চ্যালেঞ্জিং ছিলো, তেমিন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিনিয়োগকারীদের জন্যও চ্যালেঞ্জিং ছিলো ।’
তবে এবার মেলায় গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ অর্ডার পেয়েছে সিটি গ্রুপ। দেশিয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিশ্চিত ক্রয়াদেশের বাইরেও দেড় কোটি ডলারের বেশি সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ পেয়েছে। পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণে যোগ হয়েছে নতুন নতুন বায়ার। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, মেলার মূল ভেন্যুতে প্যাভিলিয়নের ব্যবস্থা করা গেলে সুবিধা পেতো বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে সিটি গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর লুৎফুল কবির শাহীন বলেন, ‘বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের প্যাভিলনটা যদি ভালো জায়গা নেয়া যেত, বিশেষ করে যদি মেইন হলে হতো তাহলে আমাদের পণ্যর জন্য ভালো হতো।’
বিশ্বব্যাপী দেশিয় চালের রপ্তানি সম্ভাবনা তুলে ধরে এ খাতে সরকারের সুনজর চান ব্যবসায়ীরা।
সিটি গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর আরও বলেন, ‘যে সমস্ত কোম্পানিগুলো এক্সপোর্ট করছে তাদের জন্য যদি এক্সপোর্ট করার প্রক্রিয়াটা সহজ করা যায়, তাহলে আমাদের সঙ্গে যারা ব্যবসা করছেন তাদের জন্যও মাধ্যমটা সহজ হবে।’
বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের সাড়ে ৮ হাজারের বেশি শীর্ষস্থানীয় খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পরিবেশক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাসহ নীতিনির্ধারকরা এ মেলায় অংশ নেয়।





