বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রার্থীদের মেধাক্রম ও প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রমের ভিত্তিতে এই সুপারিশ করা হয়েছে এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এনটিআরসিএ জানায়, সুপারিশকৃত প্রার্থীদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে ৫ হাজার ৭৪২ জন, মাদ্রাসায় ৪ হাজার ২৫৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৫৪ জন রয়েছেন। এছাড়া কারিগরি ও মাউশি এবং মাদ্রাসা ও কারিগরির বিভিন্ন সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানে আরও ১ হাজার ৩৬২ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
নতুন ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০২৫’-এর আলোকে এই বিশেষ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ১৭তম ও ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে থাকা প্রার্থীদের কাছ থেকে গত ৪ জানুয়ারি আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। এর আগে, গত বছরের ১৯ আগস্ট ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় ৪১ হাজার ৬২৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল।
এনটিআরসিএ জানায়, সারাদেশে ১৯ হাজার ২০৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৬৭ হাজার ১৩০টি শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া যায়। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৬৭ হাজার ৮৭টি পদের বিপরীতে আবেদন আহ্বান করা হয়। ১০ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ১৮ হাজার ৩৯৯টি আবেদন জমা পড়লেও ইনডেক্সধারী হওয়ার কারণে ১ হাজার ২৭ জন প্রার্থীর আবেদন বাতিল করা হয়। শেষ পর্যন্ত যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ১১ হাজার ৭১৩ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নির্বাচিত প্রার্থীরা এনটিআরসিএ’র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের নির্ধারিত লিংক থেকে ফল জানতে পারবেন। এছাড়া প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বিস্তারিত তথ্য দেখতে পাবেন।
কারিগরি কোনো সমস্যার কারণে কেউ মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা (এসএমএস) না পেলে তাদের ওয়েবসাইটের ‘৭ম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি (বিশেষ)-২০২৬’ সেবা বক্স থেকে ফল দেখে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।





