তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি তারা বিভিন্ন স্থানে দুর্নীতির কথা বলে। তারা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করে। কিন্তু একটা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করা দলের প্রার্থীদের একটা বড় অংশ বিদেশি নাগরিক। তারা বাংলাদেশের নাগরিকই না। যাদের প্রার্থীরা একক ভাবে এ দেশের নাগরিক না। তাদের মুখে জাতীয়তাবাদের কথা অত্যন্ত হাস্যকর শুনায়।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী দল, দলের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাসই রয়ে গেছে। বাস্তবে আর তার কোন চিহ্নই নেই। আমরা দেখেছি তারা কিভাবে আপনার আমার জনগণের টাকা লুট করা, ব্যাংক খেলাপিদের, ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছে। ঋণ খেলাপিরা আবারও বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসে আবারও আপনার-আমার টাকা, জনগণের টাকা লুট করার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা তাদেরকে কি সেই সুযোগ দিবো? আমরা কি ঋণ খেলাপি বিদেশী নাগরিকদের ভোট দিয়ে আমাদের ওপর রাজত্ব করার সুযোগ দিবো?’
আসিফ মাহমুদ বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘তারা কৃষক এবং শ্রমিকদের পেনশন চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে একটি প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করে নাই। সুতরাং এখন যতই কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, যত কার্ডের কথাই বলুক না কেন, বাংলাদেশের মানুষ জানে, মানুষের অভিজ্ঞতা আছে। আপনারা কোনো কথাই রাখবেন না।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি দলকে বার বার বলতে শুনি সংস্কারের কথা। তারাই নাকি প্রথম সংস্কারের কথা বলেছিল। কিন্তু তারা বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করছে, মানুষের কাছে ভোট চাচ্ছে। কিন্তু একটা বারেও তাদের দলীয় প্রধানকে সংস্কারের কিংবা গণভোটের কথা মুখেও আনতে দেখি নাই। তারা অন্যান্য দলকে বলে মুখে এক, মনে আরেক। অথচ তাদেরকেও আমরা দেখতেছি তারা মুখে এক, মনে আরেক। একদিকে তাদের কেউ কেউ সংস্কারের কথা বলে, আবার মাঠ পর্যায়ে না ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করে। তাদের মুনাফিকি ইতিমধ্যে বাংলাদেশের মানুষজন চিহ্নিত করে ফেলেছে।’
নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘সেনবাগেও তারা পেশি শক্তি দিয়ে কেন্দ্র দখল করার হুমকি দিচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ তিনটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। আমরা ঐকমত্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের হুঁশিয়ারি করে দিতে চাই। যদি এবার বাংলাদেশের একজন নাগরিককেও তার ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়। তাহলে কিন্তু আমরা তা বসে-বসে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে দেখব না। যেখানেই কাউকে ভোট দিতে বাধার সৃষ্টি করা হবে, সেখানেই আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব। বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এবার ভোট না দিয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে যাবে না।’
এ সময় নোয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপি নেতা সুলতান জাকারিয়া উপস্থিত ছিলেন।





