সভা শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ জানান, মিরসরাইয়ে ৮০ একর জায়গা অতীতে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। সেই প্রকল্পটি বাতিল হওয়ায় জমিটি নতুনভাবে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক বা প্রতিরক্ষা শিল্প পার্ক হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং এটি বেজার মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং এ খাতে বাংলাদেশ অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এ পার্কের মাধ্যমে দেশের সামরিক সরঞ্জামের সরবরাহ ব্যবস্থা নিরাপদ করাও লক্ষ্য।’
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংঘাতের উদাহরণ দিয়ে চৌধুরী আশিক বলেন, ‘অনেক সময় আধুনিক যুদ্ধবিমান নয়, বরং গুলি কিংবা ট্যাংকের অ্যাক্সেলের মতো মৌলিক সরঞ্জামের ঘাটতিই বড় সংকট তৈরি করে।’
এ ধরনের সরঞ্জাম দেশেই উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন।
দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বেজা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনার ফল হিসেবেই এ প্রস্তাব এসেছে বলে জানান আশিক চৌধুরী। নীতিগত অনুমোদনের পর জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল মাস্টারপ্ল্যানে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক অন্তর্ভুক্ত করার কাজ দ্রুত শুরু হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় দেশের প্রথম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজা।
এছাড়া সভায় কুষ্টিয়া চিনিকলকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প পার্কে রূপান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বেজার গভর্নিং বডির সভায়।




