জনতার উচ্ছ্বাস আর স্লোগানে উত্তাল নির্বাচনি জনসভায় জামায়াতের আমির যখন উপস্থিত হন, তখন জুলাইয়ের স্ট্যালিনগ্রাদখ্যাত যাত্রাবাড়ির কাজলা ব্রিজের পূর্বপাশের জনসভা পৌঁছে গেছে পার্শ্ববর্তী কোনাপাড়া পর্যন্ত।
এখানে ঢাকা ৪ ও ৫ এ দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও সৈয়দ জয়নাল আবেদিনের বক্তব্যের আগে কথা বলেন জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরা। পরে কথা শুরু করেন জামায়াত আমির।
জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরেও আবার পাথর মেরেছে নির্মমভাবে। মেরে তাকে খুন করেছে। দলের কর্মীরা চাঁদার নেশায় দলের ভাইকে, কর্মীকে পর্যন্ত ছেড়ে কথা বলে না। জীবনটাই নিয়ে নেয় চাঁদা না পেলে। সে দল সম্পর্কে অনেক চিন্তাভাবনার প্রয়োজন আছে। বগলের নিচে ঋণখেলাপিদের নিয়ে সংসদ নির্বাচন করবেন আর জনগণকে আপনারা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ উপহার দিবেন এ সমস্ত মন ভোলানো গান আর চলবে না। ১২ তারিখ এখনো দূর্বৃত্ত। এ যুব-সমাজের ভোটে যদি হাত দিতে চায় তাহলে হাত গুঁড়িয়ে দিতে হবে।’
আরও পড়ুন:
দলটির আমির জানান, ক্ষমতায় এলে নিজঘর, সড়ক কিংবা কর্মক্ষেত্রে নারীদের মর্যাদা রক্ষার পরিকল্পনা নিয়েছে তার দল। চাঁদাবাজদের ধরতে অ্যাপ ও বেকারদের কর্মসংস্থানের ঘোষণা দেন দলটির প্রধান।
জামায়াতে আমির বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি ঘরে, কর্মস্থলে এবং চলাচলে তিনটা জায়গায় আপনাদের জন্য আমরা ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। চলাচলের সময় বিশেষ করে পিক আওয়ারে বড় শহরগুলোতে বিশেষ করে রাজধানী শহরগুলোতে আমরা শুধু মহিলাদের জন্য ইভেনিং বাস সার্ভিস চালু করবো।’
বক্তব্য শেষে ঢাকা ৪ ও ৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।
কাজলার এই সমাবেশটির সঙ্গে আজ ঢাকায় আরও দুইটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনি সভা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির। এসব সমাবেশে যেভাবে মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে, আগে ততটা দেখা যায় নি। জামায়াত এবং ১১ দলীয় জোটের নেতারা দাবি করছেন, আসন্ন নির্বাচনেও এর একটা প্রভাব দেখা যাবে।





