নারায়ণগঞ্জে মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ৪৭

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় | ছবি: এখন টিভি
1

নারায়ণগঞ্জে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট ৫৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম ধাপে ১৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ৪০ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকজন আপিল করলে যাচাই শেষে নতুন করে আরও ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়। এতে বৈধ প্রার্থীর মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০ জন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির বলেন, ‘বৈধ প্রার্থীদের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বিকাল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।’

মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীরা হলেন—নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল কায়ুম শিকদার, নারায়ণগঞ্জ-২ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ইলিয়াস আহমেদ। এ তিন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বর্তমানে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন ৪৭ জন প্রার্থী।

আরও পড়ুন:

আগামীকাল (বুধবার, ২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দ দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ-৪ ও ৫ আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হবে।

তবে প্রতীক বরাদ্দ হলেও প্রার্থীরা আগামীকাল থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ২২ তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে।

প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের আচরণবিধি সম্পর্কে পুনরায় অবহিত করা হবে এবং নির্বাচন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এএম