দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজীর আহমেদ বলেন, ‘দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন তাকে গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।’
গত বছরের জানুয়ারিতে পিএসসির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের বিরুদ্ধে প্রায় পৌনে চার কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। একই সঙ্গে তার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মোট তিনটি মামলা করা হয়।
দুদকের মামলায় আবেদ আলীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৭ টাকা আয় করার অভিযোগ আনা হয়। তদন্তে তার নামে থাকা ১২টি ব্যাংক হিসাবে ২০ কোটি ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ৯৭১ টাকা জমা এবং ২০ কোটি ৪১ লাখ ৩ হাজার ৭৪১ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন:
এই লেনদেনগুলোকে ‘সন্দেহজনক’ হিসেবে উল্লেখ করে সেসময় দুদকের মহাপরিচালক আক্তার বলেছিলেন, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বা সম্পদের উৎস গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে আবেদ আলীর বিরুদ্ধে।
দুদক জানায়, আবেদ আলীর স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পীর বিরুদ্ধেও ১ কোটি ২৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়। তদন্তে তার দুটি ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৬ টাকা জমা এবং ১ কোটি ৭৭ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা মামলায় সন্দেহজনক লেনদেন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক মামলা করে দুদক।
এর আগে দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতির মামলায় আবেদ আলী জীবনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।





