২০১৯ সাল থেকে ঝালকাঠিতে বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ শুরু হয়। লাভজনক হওয়ায় ধানসহ অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি কুল চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। জেলার মাটি ও আবহাওয়া কুল চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক আকারে এর আবাদ হচ্ছে। বল সুন্দরী, বাউ কুল, আপেল কুল, নারিকেল কুল, থাই কুল, কাশ্মীরি ও টক কুলসহ নানা জাতের বরই চাষ হচ্ছে এ অঞ্চলে।
কৃষকদের হিসাবে, বিঘা প্রতি কুল চাষে খরচ হয় প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কুল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। ফলে ভালো লাভ পাচ্ছেন চাষিরা। ঝালকাঠির কুলের সুনামের কারণে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও পাইকাররা নিয়মিত এসে কুল সংগ্রহ করছেন।
চাষিরা জানান, শুরুতে এক বা দুই জাতের কুল চাষ করলেও এখন তারা আট থেকে দশ জাতের কুল চাষ করছেন। ফরমালিনমুক্ত এসব কুল বাজারে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে বড় কুল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়।
ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কুল চাষে যুবসমাজ লাভবান হওয়ায় দিন দিন এ খাতে আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।’
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ঝালকাঠি জেলায় প্রায় ৪৫ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। এ মৌসুমে কুল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ২৫২ টন।





