একনজরে রমজান মাসের ফজিলত ও আমল
আমলের ধরন (Type of Deeds) বিস্তারিত ও সওয়াব (Rewards) রোজা রাখা (Fasting) তাকওয়া অর্জন ও নফসের নিয়ন্ত্রণ। ইফতার করানো (Feeding) হাউজে কাউসারের পানি পানের নিশ্চয়তা। গুনাহ বর্জন (Abstinence) মিথ্যা ও মন্দ কাজ ত্যাগ না করলে রোজা কবুল হয় না। জান্নাতের দরজা রমজানে জান্নাতের দরজা খোলা থাকে।
আরও পড়ুন:
রোজার গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য (Importance of Ramadan Fasting)
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, "আর সিয়াম পালন করাই তোমাদের জন্যে অধিকতর কল্যাণপ্রসূ যদি তোমরা জানতে।" (সুরা বাকারা: ১৮৪)।
রমজান মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ থাকে এবং শয়তানকে বন্দী করে রাখা হয় (বুখারি: ৩২৭৭)। মূলত নফসের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং তাকওয়া (Taqwa) অর্জনই হলো রোজার মূল উদ্দেশ্য।
তাকওয়া অর্জন ও মন্দ কাজ বর্জন (Refraining from Evil Deeds)
আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের প্রতি ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমাদের মধ্যে তাকওয়া সৃষ্টি হয়।" (সুরা বাকারা: ১৮৩)। তবে রোজা রেখে মিথ্যা বা মন্দ কাজ বর্জন না করলে সেই উপবাসের কোনো মূল্য নেই।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা এবং সে অনুযায়ী মন্দ আমল বর্জন করেনি, তার পানাহার পরিহার করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই (সহিহ বুখারি: ১৯০৩)।
আরও পড়ুন:
ইফতার করানোর সওয়াব (Rewards for Feeding Fasting People)
রমজানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রোজাদারদের ইফতার করানো। হাদিস শরিফে এসেছে, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে তৃপ্তিসহকারে ইফতার করাবে, আল্লাহ তাআলা তাকে হাউজে কাউসার থেকে পানি পান করাবেন, যার ফলে জান্নাতে যাওয়ার আগে সে আর পিপাসার্ত হবে না (মেশকাত: ১৯৬৫)।
বিশেষ করে শহরের যানজটে আটকে পড়া তৃষ্ণার্ত মানুষের হাতে সামান্য খেজুর ও পানি তুলে দিয়েও বিপুল সওয়াবের অংশীদার হওয়া সম্ভব।
আরও পড়ুন:





